This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

04 January 2017

রিটার্ন কী এবং কারা দেবেন?



আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছে একজন করদাতার বার্ষিক আয়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণ উপস্থাপন করার মাধ্যম হচ্ছে আয়কর রিটার্ন। আয়কর আইন অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্ধারিত ফরমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়। বর্তমান অর্থবছর থেকে কোনো ব্যক্তি করদাতার আয় যদি বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হয়, তবে তাঁকে রিটার্ন দিতে হবে। নারী এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের পুরুষ করদাতার আয় যদি বছরে ৩ লাখ টাকার বেশি,lপ্রতিবন্ধী করদাতার আয় যদি বছরে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বেশি এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকার বেশি হয়, তাহলে তাঁকে রিটার্ন দিতে হবে। তবে আয়ের পরিমাণ যা-ই হোক
না কেন, কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক—
১. আয় বর্ষে করযোগ্য আয় থাকলে; 
২. আয়বর্ষের পূর্ববর্তী তিন বছরের যেকোনো বছর করযোগ্য আয় নিরূপিত হলে;
 ৩. সিটি করপোরেশন অথবা বিভাগীয় ও জেলা শহরের পৌরসভায় বসবাসকারীদের: ক. একটি গাড়ির মালিক হলে; খ. মূল্য সংযোজন কর আইনে নিবন্ধিত কোনো ক্লাবের সদস্য হলে;

৪. সিটি করপোরেশন, পৌরসভা অথবা ইউনিয়ন পরিষদে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলে; ৫. চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, আয়কর আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার অথবা সমজাতীয় পেশায় নিয়োজিত সব ব্যক্তি; ৬. চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অথবা কোনো বাণিজ্য সংগঠনের সব সদস্য; ৭. পৌরসভা, সিটি করপোরেশন অথবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব পদপ্রার্থী; ৮. সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা অথবা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ঠিকাদারি কাজে টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী সব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।

কীভাবে এবং কোথায় জমা দেবেন
দেশের সব অঞ্চলের আয়কর অফিসগুলোতে আয়কর রিটার্ন ফরম পাওয়া যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট (www.nbr.gov.bd) থেকেও রিটার্ন ফরম নামিয়ে নেওয়া যায়। এ রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে আপনি একজন আয়কর আইনজীবীর সহায়তা নিতে পারেন। এ রিটার্ন দাখিলের সময় কোম্পানি ছাড়া অন্য প্রায় সব শ্রেণির করদাতার ক্ষেত্রে প্রতিবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর এই তিন মাস সময়সীমার মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব না হলে একজন করদাতা রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে দুই মাস পর্যন্ত সময় চেয়ে নিতে পারেন। প্রতি শ্রেণির করদাতার রিটার্ন দাখিলের জন্য আয়কর সার্কেল নির্দিষ্ট করা আছে। এ সার্কেল সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে যাঁর যাঁর অধিক্ষেত্র অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পর আপনার ব্যক্তিগত আয়ের ওপর কত আয়কর নির্ধারিত হলো, এটির একটি স্লিপ নিয়ে চেক, পে-অর্ডার অথবা চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। বর্তমানে রিটার্ন দাখিলের জন্য তিনটি পদ্ধতি প্রচলিত আছে। একটি হচ্ছে সাধারণ পদ্ধতির আওতায়। এ ক্ষেত্রে রিটার্নে প্রদর্শিত আয়ের সমর্থনে তথ্য-প্রমাণাদি না থাকলে করদাতার শুনানি গ্রহণ করে নিষ্পত্তি হবে। আরেকটি হচ্ছে স্বনির্ধারণী পদ্ধতি এবং তৃতীয়টি হচ্ছে সর্বজনীন নির্ধারণী পদ্ধতি। এতে করদাতা তাঁর নিজের আয় নিজে গণনা করে প্রযোজ্য আয়কর পরিশোধ করতে হবে। আপনার আয়কর কত হবে, আইনজীবীর সহায়তায় কিংবা অভিজ্ঞ কারও মাধ্যমে বের করে নিতে পারেন। আপনার বার্ষিক আয়ের ওপর আনুপাতিক হারে আয়কর নির্ধারিত হবে। বর্তমানে ঢাকার সেগুনবাগিচায় আয়কর বিভাগের উদ্যোগে একটি বিনা মূল্যে কাউন্সেলিং কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে গিয়েও আপনি আয়কর সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন।

03 January 2017

হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস

নিম্ন আদালতে দুই বছর আইনজীবী হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী
হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করা যায়। হাইকোর্টে ১০ বছরের বেশি প্র্যাকটিস করছেন-এমন এক সিনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে শিক্ষানবিশি চুক্তি করতে হয়। তবে বার-অ্যাট-ল বা এলএলএম পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকলে এক বছর পরেই আবেদন করা যায়। এ প্রক্রিয়া অনেকটাই নিম্ন আদালতে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষার মতো।


আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস
একজন আইনজীবী হাইকোর্ট বিভাগে পাঁচ বছর প্র্যাকটিসের পর আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার জন্য আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে লাগবে 'আপিল বিভাগে প্র্যাকটিসের যোগ্য' এই মর্মে প্রধান বিচারপতি ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের সংখ্যাগরিষ্ঠের দেওয়া প্রত্যয়ন। আর এটি পেলেই আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করেন একজন আইনজীবী।

নিম্ন আদালতে প্র্যাকটিস

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে সনদ।

স্বীকৃত পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হলে আয়কর

চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, আয়কর আইনজীবী, চার্টার্ড একাউন্টেন্ট, কস্ট এ- ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেড, ইঞ্জিনিয়ার, স্থপতিসহ বিভিন্ন  পেশাজীবীরা কোন স্বীকৃত পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হলে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। সংসদ